৪০তম বিসিএস ভা‌ইভা অভিজ্ঞতা (প্রথম বিসিএস অভিজ্ঞতা) রেবেকা সুলতানা রীমা

৪০তম বিসিএস ভা‌ইভা অভিজ্ঞতা (প্রথম  বিসিএস অভিজ্ঞতা)
রেবেকা সুলতানা রীমা
কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ ক্যাডার (সুপারিসপ্রাপ্ত)
বোর্ড: (অপ্রকাশিত)
দরজা খুলে ‘May I come in sir?’
বোর্ড :  Yes come in.
অনুমতি নিয়ে বসলাম।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): Put off your mask. (মাস্ক খুললাম)
• এরপর চেয়ারম্যান স্যার আমার অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটগুলো দেখতে দেখতে রেজাল্টের প্রসংশা করলেন। 
• আমি: ধন্যবাদ স্যার
বোর্ড (চেয়ারম্যান): ঢাকা কোথায় বাসা?
আমি: উত্তর দিলাম।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): বাবা, মা, ভাই, বোন কে কি করেন?
আমি: উত্তর দিলাম………………।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): আপনার পেছনের দেয়ালে ২টা ছবি টানানো আছে, ছবিগুলো ব্যাখ্যা করুন।
আমি: স্যার, প্রথম ছবিটা আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বাংলায় ভাষণ দিচ্ছেন। 
বোর্ড (চেয়ারম্যান): উনি আর কোথায় বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন? 
আমি: স্যার আমি সদ্য একটি বই পড়েছি, বঙ্গবন্ধুর “আমার দেখা নয়াচীন” সেখান থেকে জানতে পেরেছি বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে  চীনের শান্তি সম্মেলনে গিয়েছিলেন, সেখানেও তিনি বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন। 
বোর্ড (চেয়ারম্যান): সেখানে আরও একজন বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন, জানেন?
আমি: জি স্যার, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধি মনজ বসুও বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): তিনি অনেক ভালো লেখক, তার কোন বই পড়া আছে? 
আমি: দু:খিত স্যার, আমার পড়া নেই, আমি আজই তার বই সংগ্রহ করে পড়ে নিব। (বোর্ড হাসছে….) 
বোর্ড (চেয়ারম্যান): থাক আজকের দিনটা বিশ্রাম নিয়ে, পরে পড়ে নিয়েন।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): বঙ্গবন্ধুর সাথে সেই সম্মেলনে আর কে কে গিয়েছিলেন?
আমি: স্যার, তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, মিস্টার ইউসুফ; স্যার আরও দুই একজন ছিল কিন্তু আমার এই মুহুর্তে নাম মনে পড়ছে না (বোর্ডের সবাই হাসল) ((আমার পুরো নামটা মনে ছিল না, তাই বলেছি মিস্টার ইউসুফ))
বোর্ড (চেয়ারম্যান): চেয়্যারম্যান স্যার পাশ থেকে ফিস ফিস করে বলছিলেন খান, খান----(আমি বললাম সরি স্যার, মনে করতে পারছি না)
(চেয়ারম্যান স্যার আবার ফিস ফিস করে ‘রহমান খান, রহমান খান)  চেয়ারম্যান স্যার আরও একটু ক্লু দিলেন (তিনি এক সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন)
আমি: স্যার, আতাউর রহমান খান (হেসে)
বোর্ড (চেয়ারম্যান): আপনি কী জানতেন উনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
আমি: জি স্যার।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): কখন?
আমি: স্যার স্বৈরশাসক এরসাদ সরকাররে আমলে।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): গুড (সবার দিকে তাকিয়ে বললেন ’এই মেয়ের ব্যাসিক ভালো)
বোর্ড (চেয়ারম্যান): আপনি যে বললেন ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন, এটা কী ২৪ সেপ্টেম্বর হবে নাকি ২৫ সেপ্টেম্বর?
আমি: স্যার আমি ২টাই পেয়েছি, লন্ডন ও বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য Gps+6 হওয়া এই কনফউশনটা তৈরি হয়। 
বোর্ড (চেয়ারম্যান): ২৪ সেপ্টের তো জাতিসংঘ দিবস, এই জন্য এই সময়টাতে প্রতিবার অধিবেসন বসে, তাই না? 
আমি: দুখি:ত স্যার, জাতিসংঘ দিবস ২৪ অক্টোবর (হেসে)
বোর্ড (চেয়ারম্যান): আমার ও বাকি দুইজন স্যারের দিকে আই কনট্রাক্ট করে আবার জিজ্ঞেস করলেন ’২৪ অক্টোবর? 
# তখন আমি এবং দুইজন স্যার চেয়ারম্যান স্যারকে নিশ্চিত করলাম।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): পরের ছবিটা ব্যাখা করেন।
আমি: স্যার আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৮ই জানুয়ারি পাকিস্তানের লয়্যালপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডনে গিয়েছিলেন, সেখানে বিমানবন্দরে তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানাচ্ছেন। সেই সময় এটা নিয়ে অনেক সমালোচনাও হয়েছিল। 
বোর্ড (চেয়ারম্যান): কেন কেন, সমালোচনা হলো কেন? 
আমি: স্যার বঙ্গবন্ধু তখন অফিসিয়ালি রাষ্ট্রপ্রধান পদের দায়িত্বে ছিলেন না, কিন্তু তাকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ রাষ্ট্রীয় প্রোটকল দিয়েছিলেন, তাই ব্রিটেনের তৎকালীন পত্রিকাগুলোতে অনেক সমালোচনা হয়েছিল। 
বোর্ড (চেয়ারম্যান): গুড। তার সাথে বঙ্গবন্ধুর এক ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছিল, সেটা নিয়ে কিছু জানা আছে?
আমি: স্যার আমি পত্রিকায় পড়েছিলাম, কিন্তু এই মুহুর্তে বিস্তারিত মনে পড়ছে না, তাই উত্তর দিতে সংকোচ বোধ করছি।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): একটু চেষ্টা করুন।
আমি: স্যার যেহুতু সদ্যস্বাধীন দেশ, তাই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি কি হবে সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল হয়তো।
বোর্ড (চেয়ারম্যান): অনেকেই তো অনুমান করে উত্তর দেয়, আর আপনি জেনেও উত্তর দিতে চাচ্ছিলেন না (হেসে)
# এর পর বোর্ড চেয়ারম্যান আমার ডান পাশের স্যারকে প্রশ্ন করতে বললেন। 
স্যার (১): আপনার ক্যাডার চয়েজগুলো বলেন।
আমি:  স্যার ১) বিসিএস পররাষ্ট্র, ২) বিসিএস কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ, ৩) বিসিএস পুলিশ, ৪) বিসিএস প্রশাসন………………….। 
স্যার (১): বিসিএস প্রশাসন এত পরে কেন?
আমি:  স্যার প্রশাসন ক্যাডারে উপজেলাগুলোসহ অনেক রিমোট এরিয়াতে পোস্টিং হয়, স্যার আমি ঢাকার মেয়ে তো (হেসে) তাই অ্যাডমিনটা একটু পেছনে দিয়েছি। 
স্যার (১): কিন্তু পুলিশ-কাস্টমস দিয়েছেন, আবার পররাষ্ট্রে তো দেশের বাইরেও পোস্টিং হয়, তখন কি করবেন?
আমি: স্যার, এই ক্যাডারগুলো আমার এতটাই পছন্দ যে, এগুলো পেলে আমি পৃথিবীর যেকোন জায়গায় যেতে রাজি আছি। 
স্যার (১): আপনি ঘুরতে পছন্দ করেন?
আমি: জি স্যার, কিন্তু পড়া-শোনা নিয়ে সব সময় অনেক সিরিয়াস ছিলাম, তাই কম ঘুরেছি। তবে দেশের বাইরে জম্মু ইউনির্ভাসিটিতে (ভারত) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে একটি প্রতিযোগিতায় গিয়েছিলাম, সেই সুবাদে কাশ্মীর ঘোর হয়েছে (আমি ঐ প্রতিযোগিতার সার্টিফিকেট ও ইংরেজি বিতর্কের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সার্টিফিকেট নিয়ে গিয়েছিলাম)
এবং স্যার, আমার মেঝ মামা বান্দরবানের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালে তার বাসায় গিয়েছিলাম। সেই সুবাদে নীলগিরি, নীলাচল ও চিম্বুক পাহাড় ঘোরর সুযোগ হয়। 
 স্যার (১): (মামার নাম, ফারুক…………. উল্লেখ করলেন, যেহেতু মামা সব কাগজপত্র সত্যায়িত করে দিয়েছিলেন) তার পর বললেন, ‘আপনার মামা আপনাকে ফারুক টিলায় নিয়ে যাননি? (হেসে)
আমি: (মনে মনে ভাবছিলাম, আসলেই কী ফারুক টিল নামে কোন জায়গা আছে, নাকি এটা একটা ট্রাপ?)   উত্তর: না স্যার, এরকম জায়গায় মামা আমাকে নিয়ে যায়নি। (ভাইভার পর জানতে পারলাম ফারুক পাড়া নামে একটি জায়গায় মামা প্রায়ই যেতেন)          
স্যার (১): বাংলাদেশেরে কয়েকটা ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সম্পর্কে কিছু বলেন।
আমি: স্যার, সুন্দরবন, সোমপুর বিহার, এছাড়া স্যার আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণটি মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে ৩০ অক্টোবর ২০১৭তে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। 
স্যার (১): আপনি ফরেন ক্যাডার কেন ফার্স্ট চয়েজ দিয়েছেন?
আমি: স্যার, যেহেতু আমার বাবা একজন প্রবাসী শ্রমিক ছিলেন। তিনি প্রায় ২০ বছর সৌদি আরব ছিলেন। আমাদের পরিবারে নিত্য আলোচনা ছিল:- আমার বাবা সৌদি আরবে আর কত দিন থাকতে পারবেন? এই মাসে ঠিক মতো টাকা পাঠাতে পারবেন কিনা? আকামা-তানাজ্জল করতে পারবেন কিনা, এসব। তাই স্যার আমি চাই আমাদের রেমিটেন্স ফাইটারদের এই বিষয়গুলোতে সাহায্য করতে। এছাড়া স্যার যেহেতু আমি রোকেয়া বিতর্ক অঙ্গণের (রোকেয়া হল ডিবেটিং ক্লাব) সাধারণ সম্পাদক ছিলাম ও ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাকদ ছিলাম, তাই আমার কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নিজেকে উপস্থাপনের অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা আমাকে পররাষ্ট্র বিষয়ক কার্যক্রমে সাহায্য করবে। 
স্যার (১): Describe our foreign policy and also economic diplomacy.
আমি: Answered according to article 25 and provided reference form ‘The New York Times’ and ‘The Daily Star’………………………………………..
স্যার (১): You mentioned about 4th industrial revolution, describe it more.
আমি: (নোয়াম চমস্কির উক্তি ও ডেইলি স্টারে প্রকাশিত আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কলামের রেফারেন্স দিয়ে বর্ণনা করলাম। মনে হলো স্যার খুশি হলেন)
বোর্ড (চেয়ারম্যান): আপনার হাজবেন্ড কি করে?
আমি: স্যার, একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, (DBC News) এর রিপোর্টার ও নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবে আছেন। 
বোর্ড (চেয়ারম্যান): ও আচ্ছা, সাংবাদিকের ওয়াইফ! ধরুণ আমরা সবাই সাংবাদিক আর আপনি সরকারি আমলা। আপনি এই মুহুর্তে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিজিট করে এসেছেন, এখন দাঁড়িয়ে ইংরেজিতে রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করুন। 
আমি: (দুই থেকে তিন মিনিট বলার পর থামালেন, মনে হলো সন্তুষ্ট হলেন)
বোর্ড (চেয়ারম্যান): আপনি পররাষ্ট্রনীতিতে বললেন পৃথিবীর যেখানেই জন সমর্থিত সরকার আছে বাংলাদেশ তাকে সমর্থন দেবে। তাহলে আফগানিস্তান ইস্যুতে বাংলাদেশ এখন কি করবে? 
আমি: স্যার আমাদের মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন আফগানিস্তানের বিষয়টা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি, স্যার আমারও মনে হয় তালেবান সরকারকে আমাদের আরও কিছু দিন পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।  
বোর্ড (চেয়ারম্যান): তাহলে ইসরাইলেও তো জনসমর্থিত সরকার রয়েছে, আমরা তাদেরকে কেন সমর্থন দিচ্ছি না?
আমি: স্যার বাংলাদেশর জন্মলগ্ন থেকেই এই ইস্যুটা মিমাংশিত। জাতির পিতা আমাদের মহান সংবিধানের মাধ্যমেও পৃথিবীর যেখানেই ন্যায্য অধিকারের জন্য সংগ্রামরত জনতা রয়েছে তাদের পক্ষে বাংলাদেশের থাকার কথা উল্লেখ করেছন। এছাড়া জাতিসংঘ এবং ওআইসি ফিলিস্তিনের সংগ্রামকে সমর্থন দেয়। তাই স্যার আমরা ইসরায়েলকে সমর্থন দিতে পারি না। 
বোর্ড (চেয়ারম্যান): Tell me the name of some linguistics who contributed on Bangla language.
আমি: Answered.
স্যার (২): (যিনি এতক্ষন শুধুই আমাকে দেখছিলেন ) প্রশ্ন: CTPU কি? 
আমি: দু:খিত স্যার, আমার জানা নেই।
স্যার (২): বিতর্ক ছাড়া আর কোন সংগঠনের সাথে ছিলেন?
আমি: স্যার আমি গান গাইতে পছন্দ করি, আর ঢাকা ইউনির্ভাসিটি রিসার্চ সোসাইটির সাথে ছিলাম। 
স্যার (২):  What is women empowerment?
আমি: Answered (Reference with Rabab Fatima { Permanent Representative of Bangladesh to the United Nations}, Saida Muna Tasneem { High Commissioner for Bangladesh to the United Kingdom, and Ambassador to Ireland and Liberia, and the first female to hold those positions} and Nelson Mandela)
স্যার (২): বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে ধারণা আছে? বাংলাদেশে এর প্রভাব কি? 
আপস: স্যার বর্তামনে বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে ক্ষতি ৭০০ কোটি ডলার। কিন্তু, বিশ্বের গড় তাপমাত্রা আরো ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়লে এ ক্ষতি ২১ বিলিয়ন হবে। এছাড়া স্যার আমাদের যে ১৯টা কোস্টাল এরিয়া আছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ এই এরিয়াগুলো আমরা হারিয়ে ফেলব। 
স্যার (২): বাংলাদেশ এর জন্য কি ব্যবস্থা নিয়েছে?
 আমি: স্যার আমরা এখন সিভিএফ এর চেয়ার, এছাড়া বাংলাদেশই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জলবায় সঙ্কট মোকাবেলায় তহবিল গঠন করেছে। এছাড়া আমাদের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১, ডেল্টা প্লান ২১০০ এই সব কিছুই জলবায়ু পরিবর্তনকে প্রধান্য দিয়ে করা হয়েছে। এছাড়া SDG এর ১৩, ১৪ ও ১৫ নং গোলেও বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক এগিয়ে আছে। 
# এর পর চেয়ারম্যান স্যার ধন্যবাদ দিলেন, এবং কাগজপত্র নিয়ে আসতে বললেন। আমি পুনরায় ধন্যবাদ ও সালাম দিয়ে বিদায় নিলাম।
 নোট: আমি সিনিয়র অনেক ভাই/বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছি, বিসিএস ওরাকলে প্রিলি এক্সাম দিয়েছি (শুধু ওরাকল বই পড়ে), বিসিএস কনফিডেন্সে রিটেন এক্সাম (শুধু অ্যসিওরেন্স+বোর্ড বই+পত্রিকা পড়ে) ও মক ভাইভা দিয়েছি। বিভিন্ন চাকরির গ্রুপ থেকেও অনেক সাহায্য নিয়েছি, আমার ভাইভা থেকে হয় তো আপনারাও কিছুটা ধারণা পাবেন। তাই আপানদের সাথে শেয়ার করলাম।
ভাইবার সময়ঃ ৩৫ মিনিট প্লাস, সিরিয়াল ৩।

Comments

Popular posts from this blog

জিরো কুপন বন্ড কী? এইটা কিভাবে কাজ করে?

ব্যাংক ভাইবা - মোঃ ইউসুফ আলী

১ম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা-- আল-আমিন আহমেদ