"বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (BREB) সম্পর্কে স্বল্প ধারণা, নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি বা প্রশ্নের ধরন ও অন্যান্য"
"বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (BREB) সম্পর্কে স্বল্প ধারণা, নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি বা প্রশ্নের ধরন ও অন্যান্য"
Ismail Hossain Ferose
সহকারী পরিচালক (প্রশাসন)
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা।
বিবিএ, এমবিএ(ফাইন্যান্স); সেশন: ২০১০-১১
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশ পল্লী পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি(পবিস) এর মধ্যে অনেকে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। কোনটি কি এটা নিয়ে অনেকেই কনফিউশনে থাকেন ! বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) হলো বাংলাদেশ সরকার এর বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। আরইবি এর উদ্দেশ্যে হলো "২০২১ সালের মধ্যে দেশের সকল জনগনকে বৈদ্যুতিক সেবার মধ্যে আনায়ন"। আরইবি মূলত পল্লী এলাকায় বিদ্যুতায়ন নিয়ে কাজ করে। আরইবি এর অধীনে ৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আছে। আর এই ৮০ টি সমিতির মাধ্যমে আরইবি সারাদেশে (৬১ জেলায়) গ্রাম বাংলার ২ কোটি ৮৮ লক্ষ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। তাহলে আরইবি হলো নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান আর সমিতিসমূহ আরইবি এর অধীন নিয়ন্ত্রিত হয়। সমিতিসমূহের নিয়োগ পদোন্নতি আরইবি কর্তৃক সম্পাদিত হয়। মূলত এই কারণেই অনেকে বোর্ড আর সমিতির মধ্যে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন।
বাংলাদেশ পল্লী পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি)
অর্গানোগ্রাম :
Chairman (গ্রেড-1)
Member(Admin/Fin/PBS/D&O/P&D) (গ্রেড-2)
ED/Controller/Chief Engineer (গ্রেড-2)
Add. Chief Engineer (গ্রেড-3)
Director/SE (গ্রেড-4)
Deputy Director/XEN (গ্রেড-6)
Assistant Director/AE (গ্রেড-9)
SAE/Tabulator/ACO (গ্রেড-10)
..........
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহের অর্গানোগ্রাম(সংক্ষেপে) :
Senior GM/GM
DGM
AGM(Admin/HR/Fin/.......)
EC
AEC
........
আরইবি আর সমিতিসমূহের সেলারি আর অর্গানোগ্রাম ভিন্ন। আরইবি এর employee দের সেলারি হয় জাতীয় পে-স্কেল ২০১৫ অনুসারে। অন্যদিকে সমিতিসমূহের আলাদা বেতন কাঠামো আছে।
আরইবি তে পেনশন সুবিধা, ট্রান্সপোর্ট সুবিধা, হাউস বিল্ডিং লোন, কোয়ার্টার সুবিধা আছে(সাভারে)।
সহকারী পরিচালক (প্রশাসন /অর্থ) এর পোস্টিং আজীবন ঢাকার হেডকোয়ার্টারস এ। আর প্রকৌশলীগণের পোস্টিং ঢাকা হেডকোয়াটারস কিংবা ঢাকার বাইরের আরইবি এর অফিসগুলোতে হয়।
৫ বছরেই AD হতে DD তে প্রমোশনের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন হয় (পোস্ট ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে)।
পরিচালক/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী(গ্রেড-4) বা তার উপরের গ্রেডের সবাই পার্সোনাল গাড়ি পায়। আবার নির্বাহী প্রকৌশলী(গ্রেড-৬) গণও(যারা ফিল্ড লেভেলে কাজ করে) ব্যক্তিগত গাড়ি সুবিধা পায়।
সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) পদের পরীক্ষা পদ্ধতি :
২০১৮ সালের নিয়োগ পরীক্ষাটি ছিল মোট ১০০ নম্বরের। সময় ১.৫০ ঘন্টা। MCQ 75 আর written 25। MCQ তে ছিল-
বাংলা ১৫ গতানুগতিক ,
ইংরেজি ২০ কঠিন,
গণিত ২০ কঠিন ও
সাধারণ জ্ঞান ২০ মিডিয়াম টাইপের। অন্যদিকে
রিটেনে 2 টি ফোকাস রাইটিং ছিলো মোট ২৫ নাম্বারের। ফোকাস রাইটিং গুলো সহজ হলেও, MCQ অনেক কঠিনই হয়েছে বলা চলে।
অন্য কোন একদিন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহের এজিএম (প্রশাসন/এইচআর) নিয়ে লিখব ইনশাআল্লাহ। যাদের চাকরি খুবই দরকার, আল্লাহ সে সকল চাকরিপ্রার্থীদের একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিন। আমীন। সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।
বিঃদ্রঃ ভুলত্রুটি থাকতে পারে। ভুল হলে সংশোধনীয়।
এটা গত বছরের অর্থাৎ আগের লিখা।
Comments
Post a Comment