আন্তঃসংযোগের কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশের আঞ্চলিক ন্যায্যতা - আহমেদ জাভেদ
বাংলাদেশ তার সমপর্যায়ের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিভিন্ন দিক থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক ছাড়াও সামাজিক নানা সূচকে এ অগ্রগতি স্পষ্ট। উন্নয়ন দর্শন বাংলাদেশের এ নেতৃত্বের ভিত্তি। এ বছর বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে। ৫০ বছরে এসে বাংলাদেশ তার অবস্থানকে আরো সংহত করতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্বব্যাংক তার স্বীকৃতিও দিয়েছে। সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর তাত্পর্যময় জীবনসংগ্রাম ও বাংলাদেশের প্রগতিশীলতার বিভিন্ন দিকে আলোকপাত করেছেন। আর যারা উপস্থিত হতে পারেননি, তারাও ভিডিও কিংবা লিখিত বক্তব্য দিয়ে আমাদের এ অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে তার জীবনের অনেক অনুন্মোচিত দিক আমাদের সামনে গুরুত্ব নিয়ে উপস্থিত হচ্ছে। এটি আমাদের নতুন করে সমৃদ্ধ করছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা এসে উদ্দীপ্ত বাংলাদেশ দেখে গেছেন। আমাদের আঞ্চলিক বন্ধুত্বের এ উষ্ণতা আমাদের মুগ্ধ করেছে। আমার ধারণা এটি আঞ্চলিক যোগাযোগ আরো গতিশীল করবে এবং আমাদের আস্থা আরো বাড়িয়ে তুলবে। এই আঞ্চলিক অধিকতর সংযুক্তি আমাদের আঞ্চলিক ন্যায্যতা, সামাজিক সাম্য, পরিবেশ ও বহুপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। কেবল সহজে পণ্য পরিবহন—সেটি সড়কপথ, নৌপথ, রেল ও আকাশপথে—নতুন নতুন রুট চালুর বিষয়ই নয়, এগুলো তো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে অবশ্যই ভূমিকা রাখবে, তবে যেদিকটি এখানে কিছুটা উপেক্ষিত থাকছে, আমি এখানে সেদিকটি সম্পর্কে কিছুটা আলোকপাত করতে চাই। এখন দরকার জনগণের পর্যায়ে সংযোগ ও ন্যায্যতার ধারণার বিস্তৃতি।
আমাদের দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিকতার চর্চায় সবকিছুকে আপেক্ষিক ধারণা হিসেবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়। এটিকে আমরা সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতাবাদ বলতে পারি। ঘটনা হলো এক সংস্কৃতির বিতর্ক ও যুক্তি অন্য সংস্কৃতির ওপর প্রভাব ফেলে। পারস্পরিক এ আদান-প্রদানকে সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতাবাদীরা গ্রহণ করতে চান না। তারা নিজস্বতা ও বিশুদ্ধতার মেকি দাবি তোলেন। উত্তরাধুনিকতাবাদ, উত্তর-উপনিবেশবাদ এবং এ ধরনের সমগোত্রীয় অনেক তত্ত্বচর্চার ফলে আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক এক ধরনের বন্ধ্যত্ব সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও আর্থসামাজিক অবস্থান ও অবস্থা সেখানে বিবেচ্য নয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার ইতিহাস ও মনন সে চিন্তায় অনুপস্থিত। অর্থাৎ আমাদের বাংলাদেশ সেই বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হলো ধর্মীয় উগ্রবাদ। ফলে বাংলাদেশ সামনের দিকে কীভাবে এগোতে পারে, তার সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগাতে পারে আর বাধাগুলো কীভাবে অতিক্রম করতে পারে, সে বিবেচনাগুলো তাদের চর্চায় একেবারে অনুপস্থিত। বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রম দিয়ে যেন তারা দেশের প্রগতির পথে অবদান রাখার কথা মনে আনছেন না। বন্ধ্যত্ব আরো আছে। যেকোনো পশ্চিমা দার্শনিকের বক্তব্য শোনা-বোঝার ক্ষেত্রে তার চিন্তার জন্ম কোন ভূখণ্ডে, সেটিই যেন তাদের কাছে শেষ কথা। ফলে সে চিন্তার বিরোধিতা করাই ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। এখানে বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো চিন্তাগুলো কীভাবে রূপান্তর হয়েছে এবং নতুন প্রেক্ষাপটে এর প্রাসঙ্গিকতা কতখানি তার বিচার করা।
প্রথম কথা হলো, মানুষে মানুষে সম্পর্ক ও যোগাযোগের কেন্দ্রীয় বিষয় হলো ন্যায্যতা ও সমদর্শিতার ভাবনা। এ বিষয়ে আলোচনায় আমি প্রায় এক দশক আগে অধ্যাপক অমর্ত্য সেনের ডেভিড হিউম স্মারক বক্তৃতার দিকে সবাইকে দৃষ্টিপাত করতে বলব। পঞ্চাশোর্ধ্ব বাংলাদেশের সামনে একুশ শতকে যেসব নতুন সমস্যা ও সংকট রয়েছে, তার জন্য নতুন বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গি নির্মাণে জ্ঞানের গুণগত রূপান্তরের প্রয়োজন আমরা অনুভব করি। আর তার ভিত্তি হবে ন্যায্যতা ও সমতাধর্মী বাংলাদেশ নির্মাণ। কথাটি লক্ষ্যের দিক থেকে বলা হলেও এটি মূলত জোর দিয়ে বলা মাত্র। সত্যিকারের ন্যায্য বাংলাদেশ নির্মাণ করতে গেলে যুক্তি দিয়েই প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আর বাংলাদেশ নির্মাণের নতুন রাস্তা, পথ ও পদ্ধতির জন্য অত্যন্ত ধৈর্যশীলভাবে এগোতে হবে। ন্যায্য বাংলাদেশের জন্য যেকোনো জ্ঞান নির্মাণ ও প্রচেষ্টা অসম্পূর্ণ হতে পারে, এটিতে লজ্জার কিছু নেই। কারণ অসম্পূর্ণতাকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখার প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের উদ্যম নষ্ট করতে পারে। সুতরাং অসম্পূর্ণতাকে ব্যর্থতার বাতাবরণে দেখলে চলবে না। কারণ কখনো কখনো অসম্পূর্ণতাকে ন্যায্যতা অর্জনের ত্রুটি হিসেবে দেখা হয়। অসম্পূর্ণতাকে অধিকতর ন্যায্যতার পথে সুচিন্তিত ও শক্তিশালী ভূমিকা দেয়া যেতে পারে। সর্বোপরি ন্যায্যতা কোনো একমাত্রিক বিষয় নয়। ন্যায্যতার যুক্তির বহুত্ব ও বৈচিত্র্য আমাদের স্বীকার করতে হবে। যেমন ভালো চিকিৎসা ব্যবস্থা কিংবা ভালো মানের শিক্ষা থেকে অধিকাংশ মানুষ বঞ্চিত হলে স্পষ্টভাবে ব্যর্থতা ফুটে উঠছে, যা থেকে অতিসত্ব উত্তরণ প্রয়োজন। আর তা সম্ভব হলে ন্যায্যতাকেও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। এশিয়ার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনাম দেশ দুটো বহুদূর অগ্রসর হয়েছে।
বাংলাদেশের অবস্থার উন্নয়নে বিদ্যাচর্চার অবদান আছে—এটির বিশ্বাসের ওপর ভর করেই এগোতে হবে। ন্যায্য বাংলাদেশের সৌন্দর্য ফুটে উঠবে যখন আমরা যুক্তি প্রয়োগে নিষ্পক্ষতা ও প্রয়োগযোগ্যতা বিবেচনায় রাখব। কথা আরো আছে। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ আঞ্চলিক যোগাযোগের কেন্দ্রে রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশকে কেন্দ্রে রেখে ভারত, নেপাল ও ভুটানের আঞ্চলিক যোগাযোগের যে নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে—বিবিআইএন চুক্তি, নতুন নৌপথের রুটগুলো, চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবহার—এসবের সম্ভাবনা অসীম। এতে পণ্য পরিবহন খরচ কেবল কমে আসাই নয়, বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যেও সমৃদ্ধ সংস্কৃতির আদান-প্রদান সহজতর হবে। এসব যোগাযোগ কেবল সরকার পর্যায়েই নয়, এসব দেশের মানুষে মানুষে যে সংযোগ ও ভাবনাচিন্তার আদান-প্রদান ঘটবে, তারই পরিপ্রেক্ষিতে কতগুলো জরুরি বিষয় এখানে তুলে ধরছি।
আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমাদের দেশের মানুষ সহজে ভিন্ন ভিন্ন দেশের মানুষের সঙ্গে অধিকতর ভাবনা-চিন্তা আদান-প্রদানের সুযোগ পেতে যাচ্ছে, ফলে ন্যায্যতা বিষয়ে ভাবনার পরিধি প্রশস্ত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এখানে বাহাত্তরের সংবিধানের চারটি মূলনীতি বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র। আমাদের মূলনীতিগুলোর একটি বৈশ্বিক আবেদন রয়েছে, যেগুলো আমাদের শহীদরা অত্যন্ত দূরদৃষ্টির সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। এ মূলনীতিগুলোকে আসলে প্রত্যেক নাগরিকের মূল্যবোধে পরিণত করার লক্ষ্যে আমাদের জোরালো সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
আগেই বলেছি অন্যান্য মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ন্যায্যতার ভিত্তিতে হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমার কথা নয়, অমর্ত্য সেনের কথা। ন্যায্যতার পরিসর বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে সার্বভৌম রাষ্ট্রের সীমানার ভেতর তাকে সীমিত করার হবসীয় (দার্শনিক থমাস হবস) ভাবনা তার সঙ্গে তিনি একমত হতে পারেননি। অমর্ত্য সেন কেন ন্যায্যতা বিষয়ে ডেভিড হিউমের দূরদৃষ্টি পছন্দ করেছেন, তা তিনি ব্যাখ্যা করেছেন। হিউমের চিন্তার ব্যাপক গুরুত্ব থাকার পরও কেন তা অবহেলিত, সে ব্যাপারে আক্ষেপ করেছেন অমর্ত্য সেন। তিনি বলেছেন, তার অন্তর্দৃষ্টি কেবল দূরদূরান্তে যারা বসবাস করছে, শুধু সেক্ষেত্রেই বিবেচ্য নয়; বরং আন্তঃপ্রজন্মের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অমর্ত্য সেনের ভাষায়, ‘হিউমের অন্তর্দৃষ্টির মধ্যে একটা হচ্ছে নৈতিক বিষয়গুলোকে ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার ক্ষেত্রে তথ্য ও জ্ঞানের গুরুত্ব স্বীকার করা। অন্য একটি ব্যাপার হচ্ছে, মানবসংবেদনের (সেন্টিমেন্টস) জোরালো ভূমিকাকে অগ্রাহ্য না করেও যুক্তির গুরুত্ব মেনে নেয়া। তাছাড়া তার অন্তর্দৃষ্টি আমাদের শেখায়, যারা এ পৃথিবীর অন্যত্র, আমাদের থেকে বহু দূরে বাস করেন, এমনকি যারা এখনো জন্মাননি, ভবিষ্যতে এ পৃথিবীর বাসিন্দা হবেন, তাদের কথা ভাবাও আমাদের দায়িত্ব।’ আমাদের আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ন্যায্যতার বিস্তৃত ধারণাটি পেতে হিউমের চিন্তা কীভাবে সাহায্য করতে পারে, সেটি অমর্ত্য সেন বেশ জোর দিয়েই বলেছেন। তার ভাষায়, “১৭৫১ সালে প্রকাশিত ‘অব জাস্টিস’ প্রবন্ধ। প্রবন্ধটি পরে তার অ্যান ইনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপালস অব মোরালস গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়। হিউমের সময়টা ছিল বিশ্বায়নের শুরুর সময়—তখনকার পৃথিবীতে আবিষ্কার হয়ে চলেছিল নতুন নতুন বাণিজ্যপথ, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত আর্থিক সম্পর্কে যুক্ত হয়ে চলেছিল। আমরা ভিন্ন প্রান্তের মানুষ সম্পর্কে বেশি করে জানতে পারছিলাম এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করছিলাম। ঠিক এ কারণে হিউম ন্যায্যতার ধারণাটিকে নতুন আলোকে দেখার ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনটার কথা তুলে ধরেন।” এক্ষেত্রে অমর্ত্য সেন হিউমের অব জাস্টিস বা ন্যায্যতা প্রসঙ্গে প্রবন্ধ থেকে উদ্ধৃতি দেন। হিউমের ভাষায়, ‘আবার ধরা যাক, আলাদা আলাদা সমাজ পারস্পরিক সুবিধা ও সুযোগের ভিত্তিতে নিজেদের মধ্যে বিশেষ ধরনের আদান-প্রদানে লিপ্ত হচ্ছে। এই সূত্র ধরে মানুষের দৃষ্টির ব্যাপকতা এবং তাদের পারস্পরিক সংযোগের জোর যেমন যেমন বেড়ে চলেছে, ন্যায্যতার পরিধিও তেমন তেমন প্রসারিত হচ্ছে। ইতিহাস, অভিজ্ঞতা ও যুক্তি আমাদের নানা বিষয়ে ভালোমতো আলোকিত করে: আমরা শিখি যে মানবসংবেদনগুলোর (সেন্টিমেন্টস) স্বাভাবিক ক্রমপ্রসারণ ঘটে এবং ন্যায্যতার শুভ ফলগুলো সম্পর্কে আমরা যতই জানতে থাকি ততই ন্যায্যতার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা বাড়তে থাকে।’
মহামারীর এ সময়টায় টিকার যে হাহাকার চলছে, তার পেছনে অনেক কারণ থাকলেও সব মানুষ বা সব রাষ্ট্রের নাগরিকদের সমদৃষ্টিতে দেখার অভাবও একটি বড় কারণ। টিকায় কেবল ধনী রাষ্ট্রের নাগরিকদেরই অগ্রাধিকার আর অন্যদিকে গরিব রাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রতি অবহেলার দৃষ্টিভঙ্গি বৈশ্বিক ন্যায্যতার পথে বিরাট অন্তরায়। আর এ কারণেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বনেতাদের প্রতি কভিড টিকাকে বিশ্বপণ্য (গ্লোবাল প্রডাক্ট) হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন। যেসব পণ্যের চরিত্রগত বৈশিষ্ট্যই এমন যে আমি কনজিউম করলে আমার তো প্রয়োজন পূরণ হলোই, সঙ্গে অন্যেরও উপকার হচ্ছে, সেসব ভোগ্যপণ্য বাজারের মাধ্যমে বিতরণের চেয়ে ‘ফ্রি’-তে বা বিনা মূল্যে বিতরণ করলে বেশি সুফল পাওয়া যায়। কারণ এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সমাজে যেন এটি বৃহৎ পরিসরে ছড়িয়ে পড়ে। রাষ্ট্র তার নাগরিকদের অধিকাংশকে (ধরা যাক ৮০ ভাগ জনগোষ্ঠীকে) ভ্যাকসিনেটেড বা টিকাকরণ করতে পারলে সমাজ অধিক মাত্রায় সুরক্ষিত হবে। তবে এক্ষেত্রে টিকা সুরক্ষা কেবল একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের সীমানার ভেতরেই সীমিত রাখতে হবে নাকি প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর প্রতিও—আমাদের পড়শি নাগরিকের মতো—একই যুক্তির কর্তব্যদায় রয়েছে, সে আলোচনাটা শুরু করা দরকার। আবার কেউ বলতে পারেন, ‘নিজে বাঁচলে বাপের নাম’, কিন্তু কভিডের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এ যুক্তি ভ্যাকসিন র্যাশনালিটি নয়। [পুরো নিবন্ধটি পড়ুন বণিক বার্তার অনলাইনে]
আহমেদ জাভেদ: দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং বাঙলার পাঠশালা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি
Comments
Post a Comment