৪১তম বিসিএস লিখিত প্রস্তুতি - দিদার নূর
৪১তম বিসিএস লিখিত প্রস্তুতি
লিখিত পরীক্ষায় বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সংবিধান। ভালভাবে লিখতে পারলে আপনি সংবিধানে প্রায় পুরো নম্বরই পাবেন। প্রিলিমিনারির জন্য শর্টকার্টে পড়লেও রিটেনের জন্য আপনাকে সংবিধানের অনুচ্ছেদগুলো একটু ডিটেইলসই পড়তে হবে। তবে পড়তে গিয়ে পুরো সংবিধান পড়ার কোন দরকার নেই। বিগত বছরগুলো থেকেই সংবিধানের উপর সাধারণত প্রশ্ন করা হয়। তাই বিগত বছরের প্রশ্নগুলো একটু ভাল করে দেখুন।আমি আমার এ লেখায় লিখিত পরীক্ষার জন্য সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো সম্পর্কে একটু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো। আশা করছি সবাই একটু হলেও উপকৃত হবেন।
🔰লিখিত পরীক্ষার জন্য সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস,১৯৭২ এর সংবিধানের মূলনীতি ও বাংলাদেশ সংবিধানের বৈশিষ্ট্যসমূহ ভাল করে পড়ে নিন। এর উপর প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়ে থাকে।
🔰সংবিধান কাকে বলে? এর উপর ৪/৫ জন বিশেষজ্ঞের উক্তি/সংজ্ঞা পড়ে রাখবেন। পরীক্ষার খাতায় এটা বেশ কাজে লাগবে।
🔰সংবিধানের ১১টি ভাগের নাম অবশ্যই মুখস্থ রাখুন।যদি মনে না থাকে তবে এভাবে ছন্দ করে পড়তে পারেন-
🔹পূজা রাষ্ট্রপরিচালনায় মৌলিক অধিকার খর্ব করে নির্বাহী বিভাগকে দিয়ে আইনুন নিশাতের বিচার করলো। নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে এই মহা অপকর্মের জরুরি সংশোধন চাইলো বিবি রাসেল।
১.পূজা-প্রজাতন্ত্র
২.রাষ্ট্রপরিচালনা-রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি
৩.মৌলিক অধিকার-মৌলিক অধিকার
৪.নির্বাহী বিভাগ-নির্বাহী বিভাগ
৫.আইনুন-আইন বিভাগ
৬.বিচার-বিচার বিভাগ
৭.নির্বাচন কমিশনের-নির্বাচন
৮.মহা-মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
৯.অপকর্ম-বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
৯(ক).জরুরী-জরুরী বিধানবলী
১০.সংশোধন-সংবিধান সংশোধন
১১.বিবি-বিবিধ।
১ম ভাগ
-------------
✴️অনুচ্ছেদ ১-১২ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো হলো
১-প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা
২(ক)-রাষ্ট্রধর্ম(অষ্টম সংশোধনী)
৪(ক)-জাতির জনকের প্রতিকৃতি(১৫তম সংশোধনী)
৬-নাগরিকত্ব
৭-সংবিধানের প্রাধান্য
৮-রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
৯-জাতীয়তাবাদ
১০-সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
১১.গনতন্ত্র ও মানবাধিকার
১২.ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
🔰রাষ্ট্রপরিচালনার সবকটি মূলনীতি ও মৌলিক অধিকারসমূহ ভালভাবে পড়ুন। এ দুটি টপিক থেকে বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন আসবেই।
রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি ও মৌলিক অধিকারসমূহ ছন্দ করে পড়লে ভুলে যাওয়ার চান্স কম। আমি মনে রাখার সুবিধার্থে নিচের ছন্দটা ফলো করেছিলাম-
রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি
----------------------------------
🔹ছন্দ:মালির কন্যা মৌ গ্রামে গিয়ে শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন করে সুযোগের সমতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করলো। নানি সংস্কৃতি ও স্মৃতিতে আন্তরিক।
১৩.মালি-মালিকানার নীতি
১৪.কন্যা-কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫.মৌ-মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬.গ্রামে-গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭.শিক্ষা-অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৮.জনস্বাস্থ্য-জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৮(ক)উন্নয়ন-পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
১৯.সুযোগের সমতা-সুযোগের সমতা
২০.অধিকার-অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
২১.না-নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
২২.নি-নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরন
২৩. সংস্কৃতি-জাতীয় সংস্কৃতি
২৪.স্মৃতি-জাতীয় স্মৃতি নির্দশন প্রভৃতি
২৫.আন্তরিক-আন্তর্জাতিক শান্তি নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
মৌলিক অধিকার
-------------------------
🔹ছন্দ(১):মৌলিক আইনের মাধ্যমে ধর্মের প্রতি বৈষম্য দেখালে সরকার বিদেশী আইনের আশ্রয় নিবে।
২৬.মৌলিক- মৌলিক অধিকারের সহিত অসামঞ্জস্য আইন বাতিল।
২৭.আইনের- আইনের দৃষ্টিতে সমতা
২৮.ধর্মের প্রতি বৈষম্য- ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
২৯.সরকার- সরকারী নিয়োগলাভে সুযোগের সমতা
৩০.বিদেশি- বিদেশি খেতাব প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
৩১.আইনের আশ্রয়- আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
🔹ছন্দ(২):জীবন গ্রেফতার হলে জবরদস্তি বিচার হবে
৩২.জীবন- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ
৩৩.গ্রেপ্তার- গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
৩৪.জবরদস্তি- জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধকরণ
৩৫.বিচার- বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ
🔹ছন্দ(৩):চল সমাবেশ ও সংগঠন করি। চিন্তা, পেশা, ধর্ম, সম্পত্তি ও যোগাযোগের অধিকার বলবৎ করি।
৩৬.চল- চলাফেরার স্বাধীনতা
৩৭.সমাবেশ- সমাবেশের স্বাধীনতা
৩৮.সংগঠন- সংগঠনের স্বাধীনতা
৩৯.চিন্তা- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।
৪০.পেশা- পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
৪১.ধর্ম- ধর্মীয় স্বাধীনতা
৪২.সম্পত্তি- সম্পত্তির অধিকার
৪৩.যোগাযোগের রক্ষণ- গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
৪৪.বলবৎকরণ- মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
🔹ছন্দ(৪):শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সে এখন আইনের হেফাজতে।
৪৫.শৃঙ্খলা-শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন
৪৬.দায়ে- দায়মুক্তি বিধানের ক্ষমতা
৪৭.আইনের হেফাজতে- কতিপয় আইনের হেফাজত
🔰এই অনুচ্ছেদগুলোর বাইরে
১)মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের পার্থক্য
২)সকল মৌলিক অধিকারই মানবাধিকার কিন্তু সকল মানবাধিকারই মৌলিক অধিকার নয়।ব্যাখ্যা করুন।
৩)জরুরী অবস্থায় কোন কোন মৌলিক অধিকার স্থগিত রাখা যায়।
এই তিনটি প্রশ্ন পরীক্ষায় আসে। এগুলো দেখে রাখুন।
নির্বাহী বিভাগ
--------------------
🔹ছন্দ(১):রাষ্ট্রপতি তার ক্ষমার মেয়াদে দায়মুক্তি পেতে অভিশংসন ও অপসারনের ক্ষমতা স্পীকারকে দিলেন।
৪৮.রাষ্ট্রপতি-রাষ্ট্রপতি
৪৯.ক্ষমার-ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
৫০.মেয়াদে-রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ
৫১.দায়মুক্তি-রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
৫২.অভিশংসন-রাষ্ট্রপতির অভিশংসন
৫৩.অপসারনের-অসামর্থ্যের কারনে রাষ্ট্রপতির অপসারণ
৫৪.স্পীকার-অনুপস্থিতি প্রভৃতির কালে রাষ্ট্রপতির পদে
স্পীকার।
✴️গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করুন।
🔹ছন্দ(২):মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিগন প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ ঠিক করেন।
৫৫.মন্ত্রিসভায়-মন্ত্রিসভা
৫৬.মন্ত্রিগণ-মন্ত্রিগণ
৫৭.প্রধানমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ
৫৮.অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ-অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
✴️গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নঃ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করুন।
এখান থেকে শর্টনোটের জন্য আরো ৩টি অনুচ্ছেদ যথা-
৫৯.স্থানীয় শাসন
৬০.স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা
৬৪.অ্যাটর্নি জেনারেল.... দেখে রাখুন।
আইন বিভাগ
------------------
🔹ছন্দ:সংসদ সদস্যগণ শূন্য পারিশ্রমিকে অর্থদন্ড ও পদত্যাগের কারনে দ্বৈত অধিবেশনে ভাষণের অধিকার স্পীকারকে দিলেন। কিন্তু কোরাম না থাকায় স্থায়ী কমিটি ন্যায়পাল নিয়োগে বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি পেতে সচিবালয় গঠন করে।
৬৫.সংসদ-সংসদ প্রতিষ্ঠা*
৬৬.সদস্যগণ-সংসদসদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা*
৬৭.শূন্য-সংসদের আসন শূন্য হওয়া*
৬৮.পারিশ্রমিকে-সংসদ সদস্যদের পারিশ্রমিক প্রভৃতি
৬৯.অর্থদন্ড-শপথ গ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদন্ড
৭০.পদত্যাগের কারনে -পদত্যাগ ইত্যাদি কারনে আসন শূন্য হওয়া*
৭১.দ্বৈত-দ্বৈত সদস্যতায় বাধা
৭২.অধিবেশনে-সংসদের অধিবেশন
৭৩.ভাষণের-সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
৭৩ক.অধিকার-সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রিগনের অধিকার
৭৪.স্পীকার-স্পীকার ও ডেপুটি স্পিকার*
৭৫.কোরাম-কার্যপ্রণালী বিধি,কোরাম প্রভৃতি
৭৬.স্থায়ী কমিটি-সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ*
৭৭.ন্যায়পাল-ন্যায়পাল*
৭৮.সচিবালয়
এখান থেকে শুধু * চিহ্নিত অনুচ্ছেদগুলো দেখে রাখুন।বাকীগুলো পরীক্ষায় আসেনা বললেই চলে।
আইন বিভাগে আরো যে অনুচ্ছেদগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো হলো-
৮০-আইন প্রণয়নের পদ্ধতি
৮১-অর্থবিল
৮৪-সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব
৮৭-বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
৯১.সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী
৯৩.রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষমতা
✴️গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি কখন ও কি পরিস্থিতিতে অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন? আলোচনা করুন।
বিচার বিভাগ
-------------------
বিচার বিভাগ থেকে বেশিরভাগ শর্টনোট এসে থাকে। এই বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো হলো-
৯৪.সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
৯৫.সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা
১০২.রীট
১০৩.আপীল বিভাগের এখতিয়ার
১০৮.কোর্ট অব রেকর্ড
১১৭.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল
✴️গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নঃ
১।হেবিয়াস কর্পাস ও অ্যামিকাস কিউরি কি?
২।কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি তার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হলে কিভাবে তা ফিরে পেতে পারেন।
৩।রীটের প্রকারভেদ আলোচনা করুন।
নির্বাচন
-----------
নির্বাচন থেকে পরীক্ষায় আসার মত গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো হলো-
১১৮.নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
১১৯.নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব
১২২.ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
------------------------------------------
এই পার্ট থেকে কদাচিৎ প্রশ্ন আসে ।আপনি চাইলে এই অংশটি বাদ দিয়ে দিতে পারেন।
বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
---------------------------------
কর্মবিভাগ থেকে শুধু পিএসসি রিলেটেড অর্থাৎ ১৩৭-১৪১ অনুচ্ছেদগুলো দেখে রাখুন। এটি ভাইবাতেও কাজে লাগবে। এছাড়া জরুরী বিধানবলী সম্পর্কিত ১৪১(ক)(খ)(গ) অনুচ্ছেদটিও পড়ুন।
সংবিধান সংশোধন
----------------------------
শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী যেমন: প্রথম, চতুর্থ, পঞ্চম, অষ্টম, দ্বাদশ, ত্রয়োদশ, পঞ্চদশ, সপ্তদশ সংশোধনীগুলো পড়ুন। সব পড়তে গেলে আপনার অযথা সময় নষ্ট হবে।
বিবিধ
----------
বিবিধ অংশ থেকে শর্টনোটের জন্য নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদগুলো দেখে রাখতে পারেন-
১৪৩-প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
১৪৫ক-আন্তর্জাতিক চুক্তি
১৪৭- সাংবিধানিক পদগুলোর নাম এ অনুচ্ছেদে আছে
১৪৮-পদের শপথ
১৫৩-প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ
সংবিধানে তফসিল নামে একটা অংশ আছে সেখান থেকে ৩,৫,৬,৭ এই গুরুত্বপূর্ণ চারটি তফসিল পড়ুন,এখান থেকেও লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
🔰উপরোল্লিখিত অনুচ্ছেদগুলো থেকে লিখিত পরীক্ষায় সিংহভাগ কমন পাবেন আশা করি।তাছাড়া প্রিলিমিনারি ও ভাইবার জন্যও এই অনুচ্ছেদগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সংবিধানের ভাষা একটু জটিল।পড়লেও খুব একটা মনে থাকে না। তবে সংবিধান পড়তে গিয়ে হুবুহু কোন অনুচ্ছেদ মুখস্থ করতে যাবেননা, তাহলে পরীক্ষার হলে গিয়ে দেখবেন সব গুলিয়ে গেছে। তাই পড়ার সময় সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের মূল থিমটা বুঝে নিয়ে নিজের ভাষায় লেখার চেষ্টা করুন। কনসেপ্ট ঠিক থাকলে মার্কস অবশ্যই ভাল আসবে। আর পরীক্ষার খাতায় অনুচ্ছেদ নম্বর ও টাইটেল অবশ্যই নীল কালি দিয়ে লিখবেন। দেখতে সুন্দর লাগবে।পরীক্ষক মার্কসও বেশি দিবেন।
সবাই ভাল থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ। সবার মঙ্গল কামনায়-
দিদার নূর
এএসপি,৩৭তম বিসিএস।
Comments
Post a Comment