BCS Preliminary Exam Part 1 (Sourov Bijoy)
আমি ২০১৭ সালে বিসিএস জার্নি শুরু করি। গত ৩০ জুন,২০২০ রেজাল্টের মাধ্যমে যা একটি সুন্দর ইতির দিকে যাচ্ছে। ইতোপূর্বে অনেকেই আমাকে এই বিষয়ে অনেক প্রশ্ন করেছেন আমিও যার উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বর্তমানে প্রশ্ন এত বেশি আমি ভাবলাম একটা নোট লিখে ফেলি।
এতটুকু
পড়ে যারা বুঝতে পেরেছেন
আমি কী নিয়ে লিখবো
তারা বাকীটা নিজ ইচ্ছায় পড়বেন।
(প্রয়োজন না হলে শিরোনাম
দেখে এড়িয়ে যেতে পারেন।)
যেহেতু
বিসিএস অনেক জটিল একটা
ব্যাপার তাই আমি একটি
পোষ্টে সব কিছু না
লিখে পর্ব আকারে লিখবো।
আশা করি ৯/১০
পর্বে পুরো ব্যাপারটি বুঝাতে
পারবো আর অনেকের উত্তর
এই পর্বগুলো থেকে পেয়ে যাবেন।
আজ প্রথম পর্ব।
#সিভিল_সার্ভিস_পরীক্ষা_পর্ব_০১_(অবতারণা)
সিভিল
সার্ভিস একটি দেশের বেসামরিক
প্রশাসন। ভারতীয় সিভিল সার্ভিসকে দেশ বিভাগের পর
পাকিস্তানের জন্য নামকরণ করা
হয় সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিস অব পাকিস্তান। বাংলাদেশ
স্বাধীন হওয়ার পর পিও এর
মাধ্যমে যার নামকরণ হয়
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস। যদিও বাংলাদেশের সংবিধানে
সরাসরি সিভিল সার্ভিস কথাটা উল্লেখ করা হয় নি
বরং প্রজাতন্ত্রের কাজে নিযুক্ত কর্মচারী
হিসেবেই উল্লেখ আছে। তাই একথা
বলাই যায়, যারা বিসিএস
ক্যাডার তারা সংবিধানিক ভাবে
দেশের কর্মচারী।
প্রজাতান্ত্রিক
রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারকে সাহায্য করার জন্যই সিভিল
সার্ভিসের সূচনা। তাই সরকারের নীতি
বাস্তবায়নে সরাসরি কাজ করেন সিভিল
সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কল্যাণকামী রাষ্ট্রে সরকারের যেমন অন্যতম কাজ
জনগণের কল্যাণে কাজ করা তেমনি
সিভিল সার্ভিসে নিযুক্ত ব্যক্তিরও কর্তব্য সকল সময়ে জনগণের
সেবা করা।
রাষ্ট্রের
প্রয়োজনে সরকার একজন অফিসারকে যেকোন
দপ্তরে নিযুক্ত করতে পারেন, যেকোন
কাজে লিপ্ত করতে পারেন, যেকোন
দায়িত্ব পালনে আদেশ দিতে পারেন-
তাই ক্যাডার নিয়োগের সময় এমন একজন
অফিসার বাছাই করা হয় যিনি
মেধাবী, ধারাবাহিক, অটল, পরিশ্রমী এবং
সর্বোপরি যিনি ধৈর্য্য নিয়ে
কাজ করতে পারেন।
সময়ের
প্রয়োজনে একজন অফিসারকে যেমন
অফিসিয়াল কাজ করতে হয়
তেমনি মাঠ পর্যায়েও নিযুক্ত
থাকতে হয়। তাই দাপ্তরিক
চিঠির ভাষা যেমন তাঁর
জানা দরকার তেমনি মানুষের মুখের ভাষায় তাঁকে হতে হবে পারদর্শী।
ভিন্ন দেশের ডিপ্লোম্যাটের কাছে তিনি যেমন
দেশকে পরিচয় করিয়ে দিতে সুযোগ পাবেন
তেমনি নিজ দেশের ভবিষ্যৎ
নির্মানেও তাঁকে ভাবতে হবে। তাই তাঁকে
জানতে হবে দেশের ইতিহাস,
দেশের সাহিত্য, দেশের ঐতিহ্য, দেশের বর্তমান ব্যবস্থা। একই সাথে তাঁকে
জানতে হবে বিভিন্ন দেশের
পরিকল্পনা।
মাতৃভাষায়
তিনি দেশের মানুষের সাথে কাজ করবেন
ভিন্ন-ভাষায় তিনি দেশের মানুষের
জন্য করবেন। এসব কিছুর জন্যই
বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস সাজানো হয়েছে এক অভিনব প্রক্রিয়ায়।
উপস্থিত
জ্ঞানের জন্য রয়েছে- প্রিলিমিনারি
পরীক্ষা।
ধৈর্য্য
নিয়ে কর্মপরিকল্পনার জন্য রয়েছে- লিখিত
পরীক্ষা।
নিজের
বিশ্বাস/জ্ঞান অন্যকে বুঝানোর জন্য রয়েছে- ভাইভা/মৌখিক পরীক্ষা।
(যদি
কোন অযাচিত ভুল হয়ে থাকে
ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমাকে বললেই আমি কারেকশন করে
দিবো।)
to be continued.......
ধন্যবাদ।
সৌরভ
বিজয়
পররাষ্ট্র
ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত (মেধাস্থান-৪র্থ)
৩৮তম
বিসিএস।
Comments
Post a Comment